জন্ম হওয়ার পর একজন শিশুর মুখে যেসব দাঁত উঠে তাকে দুধ দাঁত/ #primary tooth বলে ।
৬ বছর বয়স থেকে এই দাত গুলো ক্রমান্বয়ে পড়ে গিয়ে নতুন দাত permanent tooth উঠে । এই নতুন দাঁত গুলো হল স্থায়ী দাঁত ।
যা সারাজীবন মুখে থাকবে ।Permanent দাত এর ভাল ভাবে যত্ন নিতে হবে ।
৬ বছর বয়স থেকে এই দাত গুলো ক্রমান্বয়ে পড়ে গিয়ে নতুন দাত permanent tooth উঠে । এই নতুন দাঁত গুলো হল স্থায়ী দাঁত ।
যা সারাজীবন মুখে থাকবে ।Permanent দাত এর ভাল ভাবে যত্ন নিতে হবে ।
বাচ্চারা যেহেতু মিষ্টি , চকলেট , আইসক্রিম, জুস খেতে বেসি পছন্দ করে সেই কারনে primary দাত গুলো দ্রুত নষ্ট হয়, ক্ষয়ে যায় ।
তাছাড়া যে বাচ্চারা #bottle feeding করে তাদের দাঁত দ্রুত ক্ষয় হয়।
parents দের অবশ্যই bottle feed এর পর অবশ্যই কুলি করাতে হবে অথবা নরম কাপড় দিয়ে #clean করতে হবে।
বাযারে কিছু #soft brush কিনতে পাওয়া যায় তাও ব্যবহার করতে পারে।
বাচ্চাদের ব্রাশ করার নিয়ম হল খুব আলতো ভাবে দাঁত পাশাপাশি দিকে মাজা।
জিহবা পরিস্কার খুব জরুরী নয়।
প্রয়োজনে পাতলা কাপড় দিয়ে পরিস্কার করতে হবে।
দাঁত পরিস্কার এর ব্যাপারে বাচ্চাদের #motivation দিতে হবে।
তাছাড়া যে বাচ্চারা #bottle feeding করে তাদের দাঁত দ্রুত ক্ষয় হয়।
parents দের অবশ্যই bottle feed এর পর অবশ্যই কুলি করাতে হবে অথবা নরম কাপড় দিয়ে #clean করতে হবে।
বাযারে কিছু #soft brush কিনতে পাওয়া যায় তাও ব্যবহার করতে পারে।
বাচ্চাদের ব্রাশ করার নিয়ম হল খুব আলতো ভাবে দাঁত পাশাপাশি দিকে মাজা।
জিহবা পরিস্কার খুব জরুরী নয়।
প্রয়োজনে পাতলা কাপড় দিয়ে পরিস্কার করতে হবে।
দাঁত পরিস্কার এর ব্যাপারে বাচ্চাদের #motivation দিতে হবে।
![]() |
| tooth brushing by mom |
প্রথমত, বাবা মা দের খেয়াল করে ১-১০ বছর পর্যন্ত বাচ্চার দাঁত পরিস্কার ( দাঁত ব্রাস , কুলি করা, ফ্লসিং)
করে দিতে হবে ।
বাচ্চাদের নিজেদের ব্রাশ করতে দিলেও তাদের দেখায় দিতে হবে ।
তবে কমপক্ষে ৮ বছর পর্যন্ত দাঁত ব্রাশ করিয়ে দেয়া ভাল। দিনে ২ বার খাবার পর ব্রাশ করার অভ্যাস করতে হবে।
বেবি পেস্ট অল্প পরিমান এ ব্যবহার করতে হবে। মোটর দানা এর মত ব্রাশ এ পেস্ট নিতে হবে।
বাচ্চাদের নিজেদের ব্রাশ করতে দিলেও তাদের দেখায় দিতে হবে ।
তবে কমপক্ষে ৮ বছর পর্যন্ত দাঁত ব্রাশ করিয়ে দেয়া ভাল। দিনে ২ বার খাবার পর ব্রাশ করার অভ্যাস করতে হবে।
বেবি পেস্ট অল্প পরিমান এ ব্যবহার করতে হবে। মোটর দানা এর মত ব্রাশ এ পেস্ট নিতে হবে।
তারপর, বাচ্চাদের মিষ্টি খাবার যেমন চকলেত, জুস, আইসক্রিম এর প্রতি অনুৎসাহিত করতে হবে ।
বারবার মিষ্টি খাবারের অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। মুলত বাচ্চারা যা দেখে তাই শিখে। একারনে অভিভাবক এর এ নিয়ম আগে মানতে হবে।
বাসায় মিষ্টি খাবার আনা কমাতে হবে।
বারবার মিষ্টি খাবারের অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। মুলত বাচ্চারা যা দেখে তাই শিখে। একারনে অভিভাবক এর এ নিয়ম আগে মানতে হবে।
বাসায় মিষ্টি খাবার আনা কমাতে হবে।
প্রয়োজন এ মাঝে মাঝে দাঁতের ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে ।
মনে রাখতে হবে একজন বাচ্চার দাত ৬ বছরের আগে ফেলা উচিত না। এর আগে কারন ছাড়া দাঁত ফেলে দিলে দাত আঁকাবাঁকা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া কোনভাবেই দাঁত ফেলা যাবে না। নিজে সচেতন হন অন্য কেও সচেতন করুন ।
ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া কোনভাবেই দাঁত ফেলা যাবে না। নিজে সচেতন হন অন্য কেও সচেতন করুন ।
ভাল লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট করুন ।।
ডা শাম্মা মায়িশা
বি ডি এস
০১৯৭৮২৭০৪২৭ ।

0 Comments