গত #৪ঠা ফেব্রুয়ারি গেল বিশ্ব #কান্সার দিবস । এই দিবস পালনের মুল লক্ষ্য হল মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ক্যান্সার নিয়ে   সচেতনতা তৈরি করা।  

আমাদের কাছে অনেক ভয়ের একটা বিষয় হল মুখের কান্সার।  কিছু বিষয় নিয়ে সচেতন থাকলে এটা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। এসব নিয়েই এখন আলোচনা করব। 
ওরাল ক্যান্সার কি?
 মুখের বিভিন্ন অংশ যেমন দাত,গাল, ঠোঁট, মাড়ি , জিহবা ইত্যাদিতে যে ক্যান্সার হয় তাকে #ওরাল ক্যান্সার বলে।

কান্সার এর কারন:
পান, সুপারি,তামাক, জর্দা, সাদা পাতা  দীর্ঘদিন গ্রহন করলে


আলকোহল বা সিগারেট অতিরিক্ত খেলে

দাতে সমস্যা চিকিৎসা না করে ফার্মেসি থেকে ভুল ওষুধ নিলে

ভাঙা দাত মুখে অনেকদিন থাকলে

জেনেটিক কারনে 

রেডিয়েশন বা অতিরিক্ত তাপ এ নিয়মিত থাকলে

অন্যান্য


কি কি সচেতনতা দরকারিঃ
১/ সব থেকে জরুরি হল পান, তামাক, জর্দা, সিগারেট,  মদ জাতীয় জিনিস পরিহার করা। এসব খাবারে কান্সার হওয়ার  উপাদান থাকে। শুধু মুখ নয় শরীরের অন্যান্য অংশেও সমস্যা হতে পারে।
২/ নিয়মিত #দাতের ডাক্তার  এর শরণাপন্ন হয়া উচিত। দাতে সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা করা উচিত। ফার্মেসী থেকে বিনা প্রয়োজন এ ঔষধ খাওয়া বন্ধ করা উচিৎ।
৩/ মুখে ভাঙা বা #অসুস্থ দাত থাকলে তুলে ফেলাই উত্তম। ভাঙা দাত এ জিহবা বা গাল বার বার কেটে গেলে, সেখান থেকেও কান্সার এ রুপ নিতে পারে। অনেকসময় এই দাঁত এর গোঁড়ায় ইনফেকশন হয়ে আসতে আসতে ক্যান্সার এ রূপ নেয়। 
৪/ পরিবার এ কারো কান্সার থাকলে অবশ্য ই নিয়মিত  চেক আপ এ থাকা লাগবে।
৫/ যারা অতিরিক্ত তাপমাত্রা এ কাজ করে তাদের প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে হবে। তাপমাত্রা নিরোধক কাপড় বা মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।

যে অবস্থায় ডাক্তারের কাছে যাওয়া জরুরি-
#অনেকদিন  কোন ফোলা না কমলে
#ছোট  তিল বা ফোড়া হঠাৎ বড় হলে
#গাল বা জিহবা অনেক জ্বালা পোড়া করলে
#সাদা বা লাল কোন আলসার না সারলে
#ওজন কমে গেলে

রোগ পুষে না রেখে দ্রুত কাজ করা অনেক জরুরি। বছরে ২বার ডাক্তার দেখিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে।
ভাল লাগ লে লাইক, শেয়ার বা কমেন্ট করুন।
ডাঃশাম্মা মায়িশা
বিডিএস, এম পি এইচ
০১৯৭৮২৭০৪২৭