আঙুল চোষা/ Thumb sucking প্রায় সব শিশুর ই সাধারণ অভ্যাস। জন্মের পর থেকে প্রায় এক বছর পর্যন্ত শিশুর মধ্যে আঙুল চোষার প্রবণতা দেখা যায়।
অনেক শিশু আবার বড় হয়েও আঙুল চোষার অভ্যাস ত্যাগ করতে পারে না। আঙুল চোষার অভ্যাস ছাড়া না গেলে মুখ ও দাতের অনেক রকম সমস্যা হয়। যেমনটা-
# দাত আঁকাবাকা হয়ে যায়
# উপরের তালু গভীর হয়ে যায়
তবে এক বছরের নিচের শিশুদের জন্য আঙুল চোষা অত্যন্ত আনন্দদায়ক বিষয়।
তবে আঙুল চোষার বিষয়টি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন শিশু অনেক সময় ধরে চোষে কিংবা অনেক বড় হয়েও এই অভ্যাসটি থেকে যায়।
যদি আপনার শিশুর মধ্যে আঙুল চোষার অভ্যাস থেকে যায় তাহলে সেটি কিছুটা চিন্তার বিষয়। এ থেকে বাঁচতে সবার আগে প্রয়োজন মা বাবার সতর্কতা।
তবে আঙুল চোষার বিষয়টি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন শিশু অনেক সময় ধরে চোষে কিংবা অনেক বড় হয়েও এই অভ্যাসটি থেকে যায়।
যদি আপনার শিশুর মধ্যে আঙুল চোষার অভ্যাস থেকে যায় তাহলে সেটি কিছুটা চিন্তার বিষয়। এ থেকে বাঁচতে সবার আগে প্রয়োজন মা বাবার সতর্কতা।
কখন শিশুর আঙুল চোষা বন্ধ করা জরুরি?
যখন শিশুর দুধদাঁত পড়ে গিয়ে সামনের স্থায়ী দাঁত উঠতে শুরু করে, তখন আঙুল বা অন্য কোনো বস্তু চোষা বন্ধ করা খুব প্রয়োজন। সাধারণত শিশুরা দুই থেকে চার বছর বয়সের মধ্যেই এই চোষার অভ্যাস বন্ধ করে দেয়। না করলে ব্যবস্থা নিতে হবে।মনে রাখতে হবে, আঙুল ছাড়া অন্যান্য বস্তু যেমন চুষনি, পেনসিল, খেলার সরঞ্জাম ইত্যাদি চোষাও সমান ক্ষতিকর।
আঙুল চোষা বন্ধের উপায়:
১.আঙুল তিতা করে দেওয়া
এই পদ্ধতিটি আমাদের সবার কাছে মোটামুটি পরিচিত। শিশুর আঙুল চোষার অভ্যাস বাদ দিতে খুব সহজ এবং কার্যকরী উপায় হচ্ছে নিম পাতা, করলার রস অথবা
লেবুর রস বাচ্চাদের আঙ্গুলে মাখিয়ে দিতে পারেন। এতে করে আঙুল মুখে দিলেই তিতা লাগবে, সে মুখে আঙুল দিতে চাইবে না সহজে।
সে ঘুমিয়ে/ বেখেয়ালি হয়ে গেলে এই কাজটি করে দেখতে পারেন। এতে করে সে হয়তো ভাববে ঘুমানোর ফাঁকে তার আঙুল তিতা হয়ে গেছে।
লেবুর রস বাচ্চাদের আঙ্গুলে মাখিয়ে দিতে পারেন। এতে করে আঙুল মুখে দিলেই তিতা লাগবে, সে মুখে আঙুল দিতে চাইবে না সহজে।
সে ঘুমিয়ে/ বেখেয়ালি হয়ে গেলে এই কাজটি করে দেখতে পারেন। এতে করে সে হয়তো ভাববে ঘুমানোর ফাঁকে তার আঙুল তিতা হয়ে গেছে।
২.শিশুকে বোঝান
আঙুল খাওয়া যে একটি খারাপ ব্যাপার তা নিয়ে কথা বলুন। বকাঝকা না করে ভালোভাবে বুঝিয়ে বলুন। মুখে হাত দিলে তাকে নিষেধ করুন বার বার।
অন্য কাজ বা খেলায় ব্যস্ত রাখুন।
অন্য কাজ বা খেলায় ব্যস্ত রাখুন।
৩. ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার দিন:
খাবার তালিকায় ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার রাখুন। সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাতীয় খাবার, বিভিন্ন ধরনের বাদাম এক্ষেত্রে খুব ভালো ক্যালসিয়ামের উৎস।
৪.শিশুকে ব্যস্ত রাখুন
যখন খেয়াল করবেন আপনার শিশু আঙুল মুখে দিচ্ছে, তখন আগেই তাকে বকাবকি করবেন না। তাকে চেষ্টা করুন ব্যস্ত করে দিতে।
এমন কোনো খেলায় মাতিয়ে দিন যাতে তার হাতদুটো ব্যস্ত হয়ে যায়। যেমন খেলনা দিয়ে বিল্ডিং তৈরি করা, কার বা ডল হাউস সেট সাজানো।
এতে সে আঙুল খাওয়ার কথা ভুলে যাবে।
এমন কোনো খেলায় মাতিয়ে দিন যাতে তার হাতদুটো ব্যস্ত হয়ে যায়। যেমন খেলনা দিয়ে বিল্ডিং তৈরি করা, কার বা ডল হাউস সেট সাজানো।
এতে সে আঙুল খাওয়ার কথা ভুলে যাবে।
৫.পড়াশুনা বা আঁকাআঁকিতে বসিয়ে দিন
তুলনামূলক বেশি বয়সের শিশুরাও যদি আঙুল চোষার অভ্যাস ছাড়তে না পারে তো তার মনোযোগ ভুলিয়ে দিতে হবে।
তাকে কায়দা করে পড়াতে বসান বা তার প্রিয় কাজ ছবি আঁকতে বসিয়ে দিন। এছাড়াও তাকে সৃজনশীল কাজ যেমন গান, নাচ, কবিতার সঙ্গে যুক্ত করে দিন।
দেখবেন তার আঙুল খাওয়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে।
তাকে কায়দা করে পড়াতে বসান বা তার প্রিয় কাজ ছবি আঁকতে বসিয়ে দিন। এছাড়াও তাকে সৃজনশীল কাজ যেমন গান, নাচ, কবিতার সঙ্গে যুক্ত করে দিন।
দেখবেন তার আঙুল খাওয়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে।
| Thumb Sucking |
৬.কারণ খুঁজে বের করুন
শিশু কেন আঙুল খাচ্ছে তার কারণ খুঁজে বের করুন। বিষণ্ণতা, মানসিক চাপ অথবা বিশেষ কোন পরিস্থিতি আপনার শিশুকে আঙুল খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করে।
এমনকি ভয় থেকেও এই সমস্যা হতে পারে।
এমনকি ভয় থেকেও এই সমস্যা হতে পারে।
ভাবুন, খুঁজে বের করুন, তাহলে আপনি সঠিক সমাধান দিতে পারবেন।
এতে করে আপনার শিশু আত্নবিশ্বাসী আর কর্মক্ষম হয়ে আর তাছাড়া মুখে আঙুল দেখলেই সাবধান করুন।
এতে করে আপনার শিশু আত্নবিশ্বাসী আর কর্মক্ষম হয়ে আর তাছাড়া মুখে আঙুল দেখলেই সাবধান করুন।
তারপরও যদি সমস্যা না যায় তাহলে দন্ত চিকিৎসক এর কাছে যেতে হবে। তারা এটা প্রতিকার এর জন্য কিছু সমাধান দিতে পারেন।।
BDS, MPH
0 Comments