খাবার খাওয়ার সময় বিশেষ করে মাংস খেলে দাঁত এর গোঁড়ায় খাবার জমে। এটা কম বেশি অনেকের সমস্যা। এর সমাধান এর জন্য আগে এর কারণ জানতে হবে।
কেন দাঁত এর গোঁড়ায় খাবার জমেঃ
১। দাঁত ক্ষয়/ dental caries
দাঁত এর বেশিরভাগ সমস্যার সাথে কম বেশি দাঁত ক্ষয় জড়িত। দাঁত ক্ষয় হয় মূলত দাঁত এর গোঁড়ায় খাবার জমা হলে।
যা মুখের saliva এর সাথে মিশে দাঁতে সাদা আবরণ তৈরি করে । একে plaque বলে।
যখন অনেক দিন ধরে plaque জমে থাকে তা calculus তৈরি করে। শক্ত পাথরের মত দাঁতের গোঁড়ায় জমে থাকে। জার কারণ এ মাড়ি নিচে নেমে যায়।
খাবার জমার পরিমান ক্রমে বাড়তে থাকে।
যা মুখের saliva এর সাথে মিশে দাঁতে সাদা আবরণ তৈরি করে । একে plaque বলে।
যখন অনেক দিন ধরে plaque জমে থাকে তা calculus তৈরি করে। শক্ত পাথরের মত দাঁতের গোঁড়ায় জমে থাকে। জার কারণ এ মাড়ি নিচে নেমে যায়।
খাবার জমার পরিমান ক্রমে বাড়তে থাকে।
২। Gingivitis
এই সমস্যায় মাড়ি ফুলে লাল হয় এবং নিচে নেমে ফাকা তৈরি করে।যার ফলে খাবার জমে।
৩। টুথ পিক ব্যবহার
কাঠি বা টুথ পিক ব্যবহার করলে দাঁত আর মাড়ি ক্ষয় হয়। ফলে খাবার জমে। কাঠি ব্যবহার একদম বন্ধ করা উচিত।
এর পরিবর্তে সুতা বা ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা উচিত। কিছু ময়লা আছে যা ফ্লস ছাড়া কোনোভাবেই পরিস্কার হয় না।
এর পরিবর্তে সুতা বা ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা উচিত। কিছু ময়লা আছে যা ফ্লস ছাড়া কোনোভাবেই পরিস্কার হয় না।
৪। ব্রাশ না করাঃ
নিয়মিত আর সঠিক নিয়মে ব্রাশ না করলে দাঁত এর গোঁড়ায় খাবার জমে। সময় নিয়ে রাতে খাবার পর ব্রাশ করাটা খুব জরুরী।
৫। প্রোফেসনাল cleaning:
প্রোফেসনাল cleaning / scaling হল ডেন্টাল সার্জন দিয়ে দাঁত পরিস্কার করান। যা বছরে অন্তত দুবার করানো উচিত।
এতে করে সূক্ষ্ম ময়লা পরিষ্কার হয়। না করলে খাবার জমবে।
৬। Overhanging #filling:
অনেকে দাঁত এর গর্ত ভরাট করে বিভিন্ন ফিল্লিং দিয়ে, কিছু ক্ষেত্রে ফিল্লিং অমসৃণ থাকলে খাবার জমে। সঠিক ভাবে ফিল্লিং মসৃণ করা জরুরী।
৭। ভাঙ্গা দাতঃ
মুখে ভাঙ্গা দাঁত বা গোঁড়া থাকলে তা যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা করা প্রয়োজন।
প্রতিকারঃ
১। দাঁতের গোঁড়ায় খাবার জমার জন্য দাঁত এর যত্ন নেয়া খুব জরুরী। নিয়ম মত #ব্রাশ , #ডেন্টাল ফ্লস এবং #মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা প্রয়োজন।
২। দাঁত এ গর্ত হলে যত দ্রুত সম্ভব ভরাট করা প্রয়োজন। যে কোন অমসৃণ অংশ ভালভাবে polish করে নিতে হবে।
৩। ভাঙ্গা দাঁত ফেলে দিতে হবে।
৪। বছরে অন্তত ২ বার #scaling করা।
৫। বছরে অন্তত ১ বার #ডাক্তার এর পরামর্শ নেয়া।
ডাঃ শাম্মা মায়িশা
বি ডি এস, এম পি এইচ

0 Comments