ডায়াবেটিকস একটা প্রচলিত সমস্যা । আধুনিক এই সময়ে কম বেশি অনেকেই এই রোগ এ আক্রান্ত ।
এই রোগে মূলত রক্তে সুগারের পরিমান বেড়ে যায় হরমোনের পরিবর্তনের কারনে।
এই রোগে এ ইনসুলিন তৈরি বন্ধ হয়া যায় অথবা পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না।
ডায়াবেটিকস এই অনুসারে type1 and type 2 নামে বিভক্ত।
Type 1 diabetics সাধারণত কম বয়সের মানুষের হয়। type 2 হয় মোটা, উচ্চ রক্তচাপ আর পারিবারিক ইতিহাস থাকলে তাদের।
Type 2, পরিমিত খাবার ও নিয়ম মেনে চললে কোন সমস্যা করে না ।
বয়স এর সাথে ইনসুলিন ইনজেকশন নেয়া প্রয়োজন হয়। কিন্তু ডায়াবেটিকস অনিয়ন্ত্রিত হলেই দাত চোখ বা অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়।
এই রোগে মূলত রক্তে সুগারের পরিমান বেড়ে যায় হরমোনের পরিবর্তনের কারনে।
এই রোগে এ ইনসুলিন তৈরি বন্ধ হয়া যায় অথবা পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না।
ডায়াবেটিকস এই অনুসারে type1 and type 2 নামে বিভক্ত।
Type 1 diabetics সাধারণত কম বয়সের মানুষের হয়। type 2 হয় মোটা, উচ্চ রক্তচাপ আর পারিবারিক ইতিহাস থাকলে তাদের।
Type 2, পরিমিত খাবার ও নিয়ম মেনে চললে কোন সমস্যা করে না ।
বয়স এর সাথে ইনসুলিন ইনজেকশন নেয়া প্রয়োজন হয়। কিন্তু ডায়াবেটিকস অনিয়ন্ত্রিত হলেই দাত চোখ বা অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়।
ডায়াবেটিকস হলে যা যা দাঁতের সমস্যা হয়-
১। দাঁত ক্ষয় / caries
২। মাড়ি ফোলা /gingivitis
৩। periodontis
৪। ইনফেকশন
ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার চিকিৎসা ভিন্ন। কোন ক্ষেত্রে দাঁত শুধুমাত্র ফিলিং দিয়ে পুরন করলেই যথেষ্ট ।
কিন্তু সমস্যা যখন বেশি হয় তখন দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন পড়ে ।
দাঁত তোলার ক্ষেত্রে সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় medicine খেয়ে ফেলাটা খুব জরুরী।
অবশ্যই ডাক্তার এর পরামর্শ মত medicine নিতে হবে। ভুল বা ইচ্ছা মত medicine নেয়া যাবে না।
কিন্তু সমস্যা যখন বেশি হয় তখন দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন পড়ে ।
দাঁত তোলার ক্ষেত্রে সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় medicine খেয়ে ফেলাটা খুব জরুরী।
অবশ্যই ডাক্তার এর পরামর্শ মত medicine নিতে হবে। ভুল বা ইচ্ছা মত medicine নেয়া যাবে না।
অনেক ডায়াবেটিক রোগীরা দাত ফেলার ক্ষেত্রে না বুঝে দ্রুত ফেলে দিতে চায় । যা মোটেও ঠিক না।
ভরা পেটে ব্লাড সুগার মেপে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ খেয়ে দাত ফেলতে হবে।
যদি ৬ -১০ এর মধ্যে ব্লাড সুগার থাকে তাহলেই দাঁত ফেলা যাবে।
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিক হলে দাত না ফেলাই ভাল। সাধারনত ১০ এর উপরে থাকলে তাকে আমরা অনিয়ন্ত্রিত বলি।
দাঁত ফেললে ঘা ঠিকমত শুকাবে না অন্য সমস্যা করবতেই পারে। সমস্যার মধ্যে pain, swelling অন্যতম । তাই নিজে সচেতন হই অন্যকেও সচেতন করি।।
ভরা পেটে ব্লাড সুগার মেপে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ খেয়ে দাত ফেলতে হবে।
যদি ৬ -১০ এর মধ্যে ব্লাড সুগার থাকে তাহলেই দাঁত ফেলা যাবে।
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিক হলে দাত না ফেলাই ভাল। সাধারনত ১০ এর উপরে থাকলে তাকে আমরা অনিয়ন্ত্রিত বলি।
দাঁত ফেললে ঘা ঠিকমত শুকাবে না অন্য সমস্যা করবতেই পারে। সমস্যার মধ্যে pain, swelling অন্যতম । তাই নিজে সচেতন হই অন্যকেও সচেতন করি।।
দাঁত তোলার পরের ও কিছু নিয়মাবলি আছে যা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
ঘা শুকানোর আগ পর্যন্ত ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রনে রাখা জরুরী। প্রয়োজন এ ডায়াবেটিকস এর medicine এর dose বাড়িয়ে নিয়ন্ত্রন করা প্রয়োজন ।
ঘা শুকানোর আগ পর্যন্ত ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রনে রাখা জরুরী। প্রয়োজন এ ডায়াবেটিকস এর medicine এর dose বাড়িয়ে নিয়ন্ত্রন করা প্রয়োজন ।
পোষ্টটি ভাল লাগলে লাইক, শেয়ার করে আমাদের অনুপ্রানিত করবেন।
ডাঃ শাম্মা মায়িশা
বি ডি এস, এম পি এইচ
০১৯৭৮২৭০৪২৭

0 Comments