একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক রক্তের চাপ প্রায় ১২০/৮০ মি.মি. পারদ অর্থাৎ সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২০(উপরের) ও
ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৮০+(নিচের) মি.মি. পারদ। যদিও ওজন এর উপর কম বেসি হতে পারে।।
রক্তচাপ যখন সব সময় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি থাকে, তখন সেই রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়।
দাতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপসম্পন্ন রোগীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
উচ্চ রক্তচাপ হূদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো লক্ষণ রোগী ধরতে পারেন না।
সতর্কতার জন্য দাতের চিকিৎসার সময় রক্তচাপ মেপে নেয়া প্রয়োজন।।
উচ্চ রক্তচাপ হলে রোগির যে যে সমস্যা হতে পারে-
১. দাতের কাজ বিশেষ করে দাত তোলা, স্কেলিং করার পর রক্তপাত বেশি হতে পারে
ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৮০+(নিচের) মি.মি. পারদ। যদিও ওজন এর উপর কম বেসি হতে পারে।।
রক্তচাপ যখন সব সময় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি থাকে, তখন সেই রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়।
দাতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপসম্পন্ন রোগীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
উচ্চ রক্তচাপ হূদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো লক্ষণ রোগী ধরতে পারেন না।
সতর্কতার জন্য দাতের চিকিৎসার সময় রক্তচাপ মেপে নেয়া প্রয়োজন।।
উচ্চ রক্তচাপ হলে রোগির যে যে সমস্যা হতে পারে-
১. দাতের কাজ বিশেষ করে দাত তোলা, স্কেলিং করার পর রক্তপাত বেশি হতে পারে
২. জমাট রক্ত ভেঙে আবার রক্তপাত ঘটতে পারে
৩.অ্যাডরেনালিনযুক্ত লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া ব্যবহারে রোগীর উচ্চ রক্তচাপ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।
৪ সতর্ক না হলে ব্যথা, টেনশন ইত্যাদি কারণে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে।
প্রতিকার
১.রোগীর শারীরিক অবস্থার ইতিহাস নিতে হবে। মা-বাবা ও পরিবারের অন্য কারো উচ্চ রক্তচাপ আছে কি না জেনে নিতে হবে। যদি থাকে, তবে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করে দাতের চিকিৎসা করতে হবে।
২. উচ্চ রক্তচাপসম্পন্ন রোগীদের অবশ্যই রক্তচাপ সহনীয় মাত্রায় বা স্বাভাবিক করার পর সার্জারি করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে ওষুধের ডোজ বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে।
৩.যতটা সম্ভব রোগীকে টেনশন বা দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে হবে।
৪.চর্বি ও কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার কম খেতে হবে।
৫. কাঁচা লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে।
৬. অ্যালকোহল ও ধূমপান পরিহার করতে হবে।
৭.শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণএ রাখতে হবে।
৪ সতর্ক না হলে ব্যথা, টেনশন ইত্যাদি কারণে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে।
প্রতিকার
১.রোগীর শারীরিক অবস্থার ইতিহাস নিতে হবে। মা-বাবা ও পরিবারের অন্য কারো উচ্চ রক্তচাপ আছে কি না জেনে নিতে হবে। যদি থাকে, তবে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করে দাতের চিকিৎসা করতে হবে।
২. উচ্চ রক্তচাপসম্পন্ন রোগীদের অবশ্যই রক্তচাপ সহনীয় মাত্রায় বা স্বাভাবিক করার পর সার্জারি করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে ওষুধের ডোজ বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে।
৩.যতটা সম্ভব রোগীকে টেনশন বা দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে হবে।
৪.চর্বি ও কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার কম খেতে হবে।
৫. কাঁচা লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে।
৬. অ্যালকোহল ও ধূমপান পরিহার করতে হবে।
৭.শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণএ রাখতে হবে।
সতর্ক থাকলে উচ্চ রক্তপাত জনিত সব ধরনের সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।।
ডাঃ শাম্মা মায়িশা


0 Comments