সামনে রমজান মাস অনেক পবিত্র মাস সকল মুসলমান ভাই বোনদের জন্য। এই মাস এ দাত ও মুখের পর্যাপ্ত যত্ন নিতে হয়।
রমজান মাসের করণীয় ও ভুল ধারনা নিয়ে আজকে কথা বলব।
রোজা রেখে কি দাত ব্রাস করা যাবে???
রমজানে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকেই দাঁতের সমস্যায় ভুগেন ।
যেহেতু রোজায় ১৪/১৫ ঘণ্টা ব্যাপী না খেয়ে থাকতে হয়, এ সময় পানি বা কোনো তরল পান করা যায় না।
ফলে মুখ গহ্বর শুষ্ক থাকে এবং কুলি বা পানি পান না করার জন্য দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যাংশ ব্যাকটেরিয়া তৈরি ও জমে থাকতে সাহায্য করে।
রমজানে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকেই দাঁতের সমস্যায় ভুগেন ।
যেহেতু রোজায় ১৪/১৫ ঘণ্টা ব্যাপী না খেয়ে থাকতে হয়, এ সময় পানি বা কোনো তরল পান করা যায় না।
ফলে মুখ গহ্বর শুষ্ক থাকে এবং কুলি বা পানি পান না করার জন্য দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যাংশ ব্যাকটেরিয়া তৈরি ও জমে থাকতে সাহায্য করে।
অনেকেই মনে করেন রোজা রেখে দাঁত পরিষ্কার করা যাবে না বা দাঁতে কোনো সমস্যা হলে তার চিকিৎসাকের কাছে যাওয়া যাবে না, কিন্তু এটা সম্পূর্ন ভূল ধারণা। বর্তমান ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, রোজা রেখে দাঁত পরিষ্কার করা যাবে এবং দাঁতে কোনো ধরনের সমস্যা হলে তার চিকিৎসা ও করানো যাবে।
রোজা রেখে মাজন বা পেষ্ট দিয়ে দাঁত মাজা মাকরূহ এবং এর কিছু অংশ হলকুমের নিচে গেলে রোজা ভেংগে যাবে । রোজা অবস্হায় শুকনা মেস্ওয়াক ব্যবহার করা ভাল । ইফতার এর পর আর সেহেরির পর দাত ব্রাস করা যাবে। নিজের দাঁতগুলোকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে সেহরি ও ইফতারে চাই পর্যাপ্ত যত্ন।
যদি সেহরির সময় ব্রাশ করতে মনে না থাকে তাহলে অবশ্যই সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ পানিতে ভিজিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
তবে টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার সময় অসাবধানতাবশত পেস্ট যদি গলার ভেতরে ঢুকে যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে
রোজা ভেঙে যাবে। তাই টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা ঠিক নয়। তাছাড়া টুথপেস্ট ব্যবহার করার সময় টুথপেস্টের স্বাদ এমনিতেই পাওয়া যায় ।
আর কোনো কিছুর স্বাদ গ্রহণ
করলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে না। কিন্তু রোজা মাকরূহ হয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে নিম বা জয়তুনের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করতে পারেন, এতেও দাঁত পরিস্কার থাকবে।
তবে টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার সময় অসাবধানতাবশত পেস্ট যদি গলার ভেতরে ঢুকে যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে
রোজা ভেঙে যাবে। তাই টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা ঠিক নয়। তাছাড়া টুথপেস্ট ব্যবহার করার সময় টুথপেস্টের স্বাদ এমনিতেই পাওয়া যায় ।
আর কোনো কিছুর স্বাদ গ্রহণ
করলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে না। কিন্তু রোজা মাকরূহ হয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে নিম বা জয়তুনের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করতে পারেন, এতেও দাঁত পরিস্কার থাকবে।
জিহ্বা পরিষ্কার করার আলাদা ব্রাশ (টাং ক্লিনার) পাওয়া যায়। সেটা দিয়ে আলতো করে জিহ্বা পরিষ্কার করে নিন।
জিহ্বা য় ময়লা থাকলে সেটা মুখ ও দাঁতের জন্য মোটেও ভালো নয়।
জিহ্বা য় ময়লা থাকলে সেটা মুখ ও দাঁতের জন্য মোটেও ভালো নয়।
রোজার সময় অ্যান্টিবায়োটিক কিভাবে খাব??
যারা দাঁতের কোনো ইনফেকশনের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন, তারা অবশ্য ই সেহেরীতে আর ইফতারিতে ওষুধ খেতে ভুলবেন না।
এভাবে খেলে রোজা রেখেও ওষুধ খাওয়া সম্ভব।
এভাবে খেলে রোজা রেখেও ওষুধ খাওয়া সম্ভব।
রোজার সময় কি স্কেলিং করা যাবে? মাড়ি থেকে রক্ত বের হলে কি রোজা ভাংবে ??
চিকিৎসা বা আঘাতে দাত মুখ ও দাঁত থেকে রক্ত বের হলে রোজা নষ্ট হয় না । তবে থুথুর সাথে ঐ রক্ত গিলে ফেললে রোজা ভেংগে যায় ।
অবশ্য ঐ রক্ত থুথুর চেয়ে কম হলে এবং এতে রক্তের স্বাদ পাওয়া না গেলে রোজা ভঙ্গ হবে না
(প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, রক্ত বা পূজ ক্ষত স্থান থেকে বের হয়ে এক বিন্দু ও গড়ায় গেলে ওজু নষ্ট হবে কিন্তু এর অবস্থান, ক্ষত বা যখমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ
থাকলে ওজু নষ্ট হবে না)।
তাই , দাঁত তোলা, স্কেলিং বা অন্য চিকিৎসার সময় রক্ত বের হয়ে গড়ায় গেলে শুধু অজুই নষ্ট হয়, রোজা নষ্ট হয় না ।
অবশ্য ঐ রক্ত থুথুর চেয়ে কম হলে এবং এতে রক্তের স্বাদ পাওয়া না গেলে রোজা ভঙ্গ হবে না
(প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, রক্ত বা পূজ ক্ষত স্থান থেকে বের হয়ে এক বিন্দু ও গড়ায় গেলে ওজু নষ্ট হবে কিন্তু এর অবস্থান, ক্ষত বা যখমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ
থাকলে ওজু নষ্ট হবে না)।
তাই , দাঁত তোলা, স্কেলিং বা অন্য চিকিৎসার সময় রক্ত বের হয়ে গড়ায় গেলে শুধু অজুই নষ্ট হয়, রোজা নষ্ট হয় না ।
এ কারনে রমযান মাসে প্রয়োজন এ দাত স্কেলিং ও দাত ফেলা যাবে।
রোজা রেখে কি ইনজেকশন দেওয়া যাবে??
রোজা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে খাদ্য বা পুষ্টিজাতীয় ইনজেকসন (গ্লুকোজ, সেলাইন, ভিটামিন ইত্যাদি) নেয়া যাবে না ।
মুখে বোধ নাশক ইনজেকশন (Local Anesthesia) দেয়ার সময় ওষুধ গড়িয়ে হলকুমে না যায় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা জরুরী।
মুখের থুথু যত বেশীই হউক না কেন, তা গিলে ফেললে রোজার কোনই ক্ষতি হয় না।
আপনা আপনি বেশী বা কম বমি হলে রোজা নষ্ট হয় না। কিন্তু ইচ্ছা করে মুখ ভরে বমি করলে নষ্ট হয়, অল্প করলে নষ্ট হয় না।
যদি আপনা আপনি ই সামান্য বমি হয় এবং আপনা আপনিই হলকুমের ভিতরে চলে যায়, তাহাতে রোজা নষ্ট হয় না।
অবশ্য ইচ্ছা পূর্বক গিললে, কম হলেও রোজা নষ্ট হবে।
ভুলে পানাহার করলে, এমনকি ভূলে কয়েকবার পেট ভরে পানহার করলেও রোজা ভঙ্গ হয় না ।
রোজা রেখে কি দাত ফেলা যাবে??
রোজা রেখে জরুরি প্রয়োজন এ দাত ফেলা যাবে। দাত ফেলার সময় রক্ত যেন গলায় না যায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
দাত ফেলার সময় অবশ করার ইঞ্জেক্সন ও দেয়া যাবে। সব ক্ষেত্রে নজরে রাখতে হবে যেন গলায় না যায় ।
ভুলে যদি গলায় যায় তাতে রোজা ভাংগে না কারন ইচ্ছা করে গলায় দেয় নাই। তবে সন্দেহ থাকলে এক টা কাজা রোজা করে নিতে হবে।।
দাত ফেলার সময় অবশ করার ইঞ্জেক্সন ও দেয়া যাবে। সব ক্ষেত্রে নজরে রাখতে হবে যেন গলায় না যায় ।
ভুলে যদি গলায় যায় তাতে রোজা ভাংগে না কারন ইচ্ছা করে গলায় দেয় নাই। তবে সন্দেহ থাকলে এক টা কাজা রোজা করে নিতে হবে।।
ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন।
ডাঃ শাম্মা মায়িশা
বি ডি এস


0 Comments